কাঁচা মরিচের গুণাগুণ

কাঁচা মরিচের গুণাগুণ কাঁচা মরিচে এত উপকার! কাঁচা মরিচ বেশি খেলে কি হয় কাঁচা মরিচ খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

বাঙালির প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় কাঁচামরিচ থাকবেই। মরিচ খাওয়া হয় শুধু স্বাদের জন্য। কিন্তু ত্বকের বলিরেখা দূর করায়, ক্যালরি বার্ন করায় সহায়ক কাঁচা মরিচ। ক্যাপসিসিন নামক এসিড থাকার কারণে  মরিচ ঝাল হয়। এই উপাদান শরীরে মেটাবলিজমের গতি বৃদ্ধি করার মধ্য দিয়ে সহজেই ওজন নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে পারে। বাল্টিমোরে বায়োফিজিক্যাল সোসাইটির গবেষণা প্রতিবেদনে এ কথা বলা তুলে ধরা হয়েছে।

ইয়াওমিং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মতে, মোটা বা বেশি ওজনদার মানুষের মেটাবলিজম বাড়িয়ে ওজন নিয়ন্ত্রন করতে ক্যাপসিসিন অত্যন্ত কার্যকরী। ওজন নিয়ন্ত্রণের জাদুকরী ওষুধ বলা চলে ক্যাপসিসিন-এর এই গুণাগুণকে।

প্রতিদিনের খাবার তালিকায় ১টি কাঁচামরিচ রাখা হলে সহজেই অনেক রকম শারীরিক সমস্যা থেকে দূরে  থাকা সম্ভব।

কাঁচামরিচ অগণিত উপকারিতা ও গুণাবলী বিশিষ্ট সবজি। কাঁচামরিচে রয়েছে ভিটামিন এ যা হাড়, দাঁত ও মিউকাস মেমব্রেনকে ভালো রাখে। কাঁচামরিচে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি বিদ্যমান, যা দাঁতের মাড়ি ও চুলের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কাঁচামরিচ নিয়মিত খেলে স্নায়ুবিক বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি লাভ হয়। কাঁচামরিচ পুরুষদের প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। কাঁচামরিচ খাবার দ্রুত হজমে সাহায্য করে। কাঁচামরিচে ভিটামিন সি থাকার কারণে তা যে কোনও ধরণের কাটা-ছেঁড়া কিংবা ঘা শুকানোর ক্ষেত্রে খুবই উপকারী পথ্য।

গরমকালে কাঁচামরিচ খাওয়া হলে ঘামের মাধ্যমে শরীর ঠাণ্ডা হয়। গরমে জ্বর, সর্দি, কাশি ইত্যাদি থেকে রক্ষা করে কাঁচামরিচ। রক্তের কোলেস্টেরল, মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বাধাসহ হৃদপিণ্ডের বিভিন্ন সমস্যা কমায় কাঁচামরিচ। কাঁচামরিচে থাকা এনড্রোফিন নামক এসিড হরমনের নিঃসরণ ঘটিয়ে মস্তিষ্ক সতেজ করতে সাহায্য করে। মহিলাদের একটি সাধারণ সমস্যা হলো আয়রনের ঘাটতি। কাঁচামরিচ আয়রনের অন্যতম প্রাকৃতিক উৎস। কাঁচা অথবা রান্না করে কাঁচামরিচ নিয়মিত খেলে আয়রনের ঘাটতি পূরণ হয়।

আমাদের ফেসবুক পেজ: বাংলা ক্রনিকল

আরো পড়ুন: তুলসী পাতার গুণাগুণ

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!