জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন

এনআইডি সংশোধনের আবেদন, ভোটার আইডি কার্ড জন্ম তারিখ সংশোধন, অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন, নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম, ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফরম, জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন ২০২০, জাতীয় পরিচয় পত্র, ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত দিন লাগে, জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন ২০২১, জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন ২০২০, অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন, জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন ফি জমা দেওয়ার নিয়ম, জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করতে কতদিন সময় লাগে, ভোটার আইডি কার্ড জন্ম তারিখ সংশোধন, জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের বিশেষ সুযোগ, জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড,smart nid bd, nid card, online nid bd, nid bd online copy, nid service, nid check, nid bd mobile, nid card bd,

জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডে বিভিন্ন রকম ভুলের অভিযোগ শুনা যায়। তাই নির্বাচন কমিশন এখন এনআইডি কার্ডের ভুল সংশোধনের জন্য অনলাইনে আবেদনের ব্যবস্থা করেছে। এখন ঘরে বসে জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করা যায়। এখন অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে কিংবা ভুল তথ্য সংশোধন করা যাবে।

এনআইডি কার্ড সংশোধন পদ্ধতি:

অনলাইনের মাধ্যমে ভুল তথ্য সংশোধন করতে নির্বাচন কমিশনের এনআইডি বিষয়ক অনুশাখার ওয়েবসাইটে (https://services.nidw.gov.bd/nid-pub/) ঢুকে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। সেখানে এনআইডি নম্বর সংগ্রহ করে নিতে হবে হবে। অ্যাকাউন্টেই ভুল তথ্য সংশোধনের নির্দিষ্ট ফি অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে। ফি জমা দেয়ার লিঙ্ক ওখানেই পাওয়া যাবে। তারপর অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে নির্বাচন কমিশনের কাছে থাকা আপনার ডাটাবেসের সকল তথ্য দেখতে পাবেন। নিচের যে কোনো অপশনে চাহিদা অনুযায়ী ক্লিক করে তথ্য হালনাগাদ করা যাবে। ওকে ওয়ালেট বা রকেটের মাধ্যমে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করা যাবে। এছাড়া সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমেও পরিশোধ করা যাবে।

উল্লেখ্য, পরিচয়পত্রে যে তথ্য অন্তর্ভুক্ত আছে, তার যে কোনো একটি সংশোধন করতে হলে ১ম বার আবেদনের জন্য (১৫০/২০০) টাকা, ২য় বার (২৫০/৩৫০) টাকা এবং পরবর্তী যেকোনো আবেদনের জন্য (৩৫০-৪৫০) টাকা ফি প্রদান করতে হবে হবে।

এন আইডি কার্ডের ভুল তথ্য সংশোধনের জন্য কিছু কাগজপত্রের কপি আপলোড করতে হবে। যেমন-
১. নাম সংশোধনের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন, মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সনদপত্র, পাসপোর্টের কপি।
২. ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য বিদ্যুৎ বা পানির বিলের কাগজ।
৩. বিয়ের পর স্বামীর নাম যোগ করতে চাইলে নিকাহনামা, স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি।
৪. বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে স্বামীর নাম বাদ দিতে চাইলে তালাকনামা সংযুক্ত করতে হবে।

তথ্য সংশোধন অনুমোদন হয়ে গেলে একটি মোবাইলে মেসেজের মাধ্যমে জানানো হবে। ওয়েবসাইট থেকে সংশোধিত এনআইডি ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যাবে। ইন্টারনেট প্রতিকূলতা থাকলে নিকটস্থ নির্বাচন অফিস থেকে ‘ডাটা এন্ট্রি অপারেটর’-এর সাহায্য নিয়ে বিনা মূল্যে কাজটি করা যাবে।
ওয়েবসাইট থেকে অ্যাকাউন্ট খুলে সব তথ্য ও কাগজ সংযুক্ত করে নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র নিজেই ঘরে বসে নিবন্ধনও করা যায়।

আরো পড়ুন: ইবনে আরাবীর বাণী