জামালগঞ্জে জাতীয় প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত  ইমামদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত

জামালগঞ্জে জাতীয় প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ইমামদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত

মোঃ আবুল কালাম জাকারিয়া 
জামালগঞ্জ (সুনামগঞ্জ)
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জামালগঞ্জ উপজেলা শাখার উদ্যোগে অদ্য ২২/৯/২০২০ ইং মঙ্গলবারে জামালগঞ্জ উপজেলার জাতীয় প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ১১টার সময় জামালগঞ্জ উপজেলা হল রুমে জামালগঞ্জ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হা: মাওঃ নূর উদ্দিন’র সভাপতিত্বে ইফা সুপারভাইজার মাওঃ খাইরুল ইসলাম ও ইফা মডেল কেয়ারটেকার মাওঃ সিরাজুল ইসলামের যৌথ সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব ও বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি রেদ্বয়ানুল হালিম।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইফা সাধারণ কেয়ারটেকার মাওঃ আব্দুল আউয়াল, মাওঃ আলী আকবর, মাওঃ আলীম উদ্দিন, মাওঃ আব্দুল জলিল, মাওঃ তাজ মাহমুদ প্রমুখ।
প্রধান অতিথি তাঁর আলোচনায় প্রথমেই স্মরণ করেন বাংলার শ্রেষ্ঠ বীর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কথা। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ইমামদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি সাবলম্বী করে তুলছেন। আর ইমাম ও খতিবগন দেশ ও দশের কল্যাণে অগ্রণী ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন। যেমন বাল্যবিবাহ, জঙ্গি সন্ত্রাস, মদ জোয়া ইত্যাদি হঠাতে ইমামদের যথেষ্ট ভূমিকা আছে। আপনারা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন নিজের  দেশ ও দশের কল্যাণে কাজ করে যাবেন। আপনাদের পিছনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অবদান আছে। তাই আপনারা দেশের জন্য ভালো কিছু করে দেখাতে হবে। আপনারা হলেন ইমাম, আর এর অর্থ হচ্ছে নেতা। মানুষ আপনাদের কথার অনুসরণ করে থাকে। তাই ধর্মীয় আইন ও রাষ্ট্রের সকল বিষয়ে জনগণকে আপনারা সুপরামর্শ দিবেন। এতে আপনাদের প্রশিক্ষণের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য সফল হবে। 
বিশেষ অতিথি তাঁর আলোচনায় বলেন, উপজেলা পর্যায়ে প্রতি বছরই সারা বাংলাদেশে  প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ইমাম সম্মেলন ও শ্রেষ্ঠ ইমাম বাছাই করে থাকে ইসলামিক ফাউন্ডেশন, এবারো এ কার্যক্রম চলছে। প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ইমামদের দ্বারা দেশ ও জাতির কল্যাণ হচ্ছে। আমাদের জামালগঞ্জের প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ইমামদের দ্বারা ও আশা রাখবো কল্যাণকর কাজ হবে। 

ইফা সুপারভাইজার খাইরুল ইসলাম বলেন, 
প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ইমামদের মধ্য থেকে জেলা পর্যয়ে শ্রেষ্ঠ ইমাম ও শ্রেষ্ঠ খামারী ইমাম বাছাই করে তাদের পুরষ্কিৃত করা হয়। আমি ও আমরা মনে করি প্রতিজন প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ইমাম শ্রেষ্ঠ ইমাম হওয়ার যোগ্যতা রাখেন। তারপরও আজ আমরা যাচাই বাচাই করে সুনামগঞ্জ জেলা সদরে তিনজনকে পাঠাবো। বাকিরা কাজের দক্ষতা অর্জন করে জামালগঞ্জের সকলকে বুঝিয়ে দিতে হবে ইমামরা কারো বুঝা নয়। প্রশিক্ষণ নিয়ে তারা নিজেদের আর্থিক সাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি জনকল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। 

Leave a Reply