নার্সিং পেশায় ক্যারিয়ার

যেকোনো পেশার তুলনায় নার্সিং একটি সেবামূলক পেশা। চিকিৎসকের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নানা ভাবে চিকিৎসা সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন নার্স। একজন নার্স যত্ন ও সুন্দর ব্যবহার দিয়ে রোগীকে সুস্থ করে তুলতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো নার্স রোগীর সব দায়িত্ব বহন করেন। রোগীদের ওষুধ সেবন থেকে শুরু করে চিকিৎসার বিভিন্ন সেবা দিয়ে থাকেন। রোগীকে খাবার খাওয়ানো ও রোগী যতক্ষণ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি থাকেন, ঠিক ততক্ষণই একজন নার্স তার সেবামূলক কর্তব্য পালন করেন।

নার্স পেশার বেতন ভাতা

বাংলাদেশে সরকারি হাসপাতালগুলোতে একজন নার্স চাকরির শুরুতেই ২০ হাজার টাকা বেতন পেতে পারেন। নার্সের কর্ম দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে বেতন ভাতা বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিকে বেতন ভাতার পরিমাণ কমবেশি হতে পারে। উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও ভালো বেতনে বাংলাদেশি নার্সদের প্রচুর চাহিদা রয়েছে।

নার্সদের পদোন্নতি

নার্সিংয়ে পদোন্নতি ২ ধরনের হয়ে থাকে। একটি প্রশাসনিক এবং অন্যটি শিক্ষা খাতে। নার্সিং পাস করার পর একজন নার্স প্রশাসনিক খাতে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে যোগদান করেন। পরে নার্সিং সুপারভাইজার, ডেপুটি নার্সিং সুপারভাইজার, নার্সিং সুপার, সরকারি পরিচালক পদে পদোন্নতির ব্যবস্থা চালু রয়েছে। শিক্ষা খাতে প্রথমে নার্সিং ইনস্ট্রাকটর পদে যোগদান করতে পারেন। পরে প্রভাষক, ভাইস প্রিন্সিপাল, প্রিন্সিপাল, শিক্ষা উপপরিচালক ও পরিচালক পদে পদোন্নতির ব্যবস্থা রয়েছে।

নার্সিং বিষয় পড়াশোনা

বিএসসি ইন নার্সিংয়ে ভর্তির জন্য  মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রতিটিতে ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ থাকতে হবে। বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য অগ্রাধিকার । তবে মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীরাও ভর্তি হতে পারেন। ভর্তি জিপিএ’র ভিত্তিতেই নেয়া হয়। এইচএসসি’র ফল বের হওয়ার পরপরই ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। এছাড়াও যেকোনো বিভাগ থেকে এসএসসি পাস শিক্ষার্থীদের জন্য ডিপ্লোমা ইন নাসিং পড়ারও সুযোগ রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!