প্রেস বিজ্ঞপ্তি

ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা

মন্ত্রণালয় কর্তৃক ১৫ সেপ্টেম্বর-২০১৩তে অনুমোদন লাভ করে। এই দিনটিকে

“এফআইইউ দিবস” হিসেবে স্মরণযোগ্য ও প্রতিবৎসর উদ্ধসঢ়;যাপন করার লক্ষ্যে অদ্য ১৫

সেপ্টেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার বিকাল ৪:৩০ মিনিটে ঙহষরহব খরহশ-

যঃঃঢ়ং://ুড়ড়স.ঁং/ল/৬৮৭১১২০৭১৭৪-এর মাধ্যমে মিলনমেলা ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. কামাল আব্দুল নাসের

চৌধুরী, প্রাক্তন মূখ্য সচিব ও  প্রধান সমন্বয়ক, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর

রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় কমিটি।

বিশ^বিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব শেখ কবির হোসেন

ট্রাস্টি বোর্ডের সম্মানিত সদস্য বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, ডিন,

অধ্যাপক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উক্ত অনুষ্ঠানে

উপস্থিত ছিলেন । প্রধান আলোচক বলেন বেসরকারি খাতের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে

ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এই অল্প সময়ের মধ্যেই দেশের শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদান

রেখে চলেছে। একটা নতুন বিশ্ববিদ্যাল মাত্র ছয় বছরের মধ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতির

উপস্থিতিতে সমাবর্তন অনুষ্ঠান করতে পেরেছে এটা একটি অনন্য ব্যাপার। এটা প্রমান

করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্ষমতা কতটুকু। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ড সদস্যদের

প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বিশেষ করে ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান জনাব শেখ

কবির হোসেনের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় যেভাবে পরিচালিত হচ্ছে তা সত্যিই

প্রশংসনীয় তিনি আশাকরেন এভাবে চলতে থাকলে অচিরেই ১ম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ের

কাতারে চলে আসবে। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেন হাজার

বছরের শ্রেষ্ট বাঙ্গালি এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধুর জীবনের নানাদিক তুলে ধরেন। বর্তমান

প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুকে জানতে বঙ্গবন্ধুর নিজের লেখা বইগুলো পড়তে এবং বিশ্ববিদ্যালয়

গুলোর লাইব্রেরী কে আরো সমৃদ্ধ করার আহ্বান জানান এবং শিক্ষকদের গবেষনার উপর জোর

দেন।

ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান বলেন আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি জ্ঞান বিজ্ঞানে

বিকশিত এবং আলোকিত ও মানবিক মানুষ গড়ার জন্য। এখান থেকে পড়া-লেখা করে

আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা দেশ বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে নিজেকে নিয়োজিত

করবে এবং মানুষের কল্যানে কাজ করবে এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পাওয়া হবে। তিনি এ

বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন দেয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ

জানান।

আলোচকরা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি গবেষনাধর্মী বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলার

আহ্বান জানান।

বিশ্ববিদ্যলয়ের উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) ড. মোঃ মুঞ্জুর-ই-খোদা তরফদার এর সঞ্চালনায় আরো

বক্তব্য রাখেন ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যবৃন্দ, রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, পরিচালক (অর্থ),

ডেপুটি রেজিস্ট্রার, ফ্যাকাল্টি এবং শিক্ষার্থী প্রতিনিধি।

Leave a Reply