শনিবার, ২৪ Jul ২০২১, ০৫:৩১ অপরাহ্ন

রূপচর্চায় আমলকী ব্যবহারের উপায়

রূপচর্চায় আমলকী ব্যবহারের উপায়

Health tips bangla, হেলখ টিপস

আবহমান গ্রামবাংলায় আমলকী একটি অতিপরিচিত এক ভেষজ। আমলকীর জাদুকরী গুণাগুণ ত্বক ও চুলের বিভিন্ন সমস্যা সিমাধানে কাজ করে ম্যাজিকের মতো।

ব্রণ দূর করতে:

প্রাকৃতিক উপায়ে মুখের দাগ বা ব্রণ দূর করে আমলকী। আমলকীর রস মুখে মেখে আধা ঘন্টা পর ধুয়ে নিতে হবে কুসুম গরম পানিতে। অতি অনুভূতিপ্রবণ ত্বক হলে আমলকীর রসের সঙ্গে মিশিয়ে নিতে পারেন সামান্য পানি। ভালো ফল পাবার জন্য ব্যবহার করতে হবে নিয়মিত।

ত্বক ঝকঝকে করতে:

স্ক্রাবার হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে আমলকী। এতে থাকা ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বক সজীব ও টানটান করতে সহায়তা করে। ১ চা চামচ আমলা পাউডার গরম পানিতে মিশিয়ে তৈরি করা ক্রিমে মুখ স্ক্রাব করতে হবে। স্ক্রাব করার পাঁচ মিনিট পর মুখ ধুয়ে নিতে হবে। এই ক্রিমের সঙ্গে সামান্য হলুদ মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে।

চুল পড়া রোধে:

চুল পড়া রোধ করতে আমলকী বেশ কার্যকর। শুকনো আমলকী প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানিতে নিয়ে গরম করে নিতে হবে। আমলকী সেদ্ধ হলে তা চটকে পেস্ট করতে হবে। এই পেস্ট চুলের গোড়া ও পুরো চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে ১ দিন ব্যবহার করতে হবে এই প্যাক। ঔজ্জ্বল্য বাড়ানোর জন্য শুধু আমলকীর রস ব্যবহার করা যায়। এক্ষেত্রে আমলকীর রস চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে নিতে হবে।
আমলকীর তেল তৈরির পদ্ধতি: তেল তৈরির জন্য টাটকা আমলকী ও নারকেল তেল দরকার। প্রথমে ১ কাপ আমলকী ভালোভাবে ধুয়ে বিচি ছাড়িয়ে নিয়ে মিক্সারে গুঁড়ো করে নিতে হবে। এতে পানি ব্যবহার করা যাবে না, একটি পাত্রে এক কাপ নারকেল তেল চুলায় গরম করতে দিতে হবে, তেল গরম হলে তাতে ঢালতে হবে আমলকীর গুঁড়ো। আমলকীর গুঁড়ো মিশ্রিত নারকেল তেল ফুটে ওঠার ১০-১৫ মিনিট পর তেল চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে কাঁচের জারে রাখতে হবে। এই তেল চুলের গোঁড়া ও চুলে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। এরপর চুল ধুতে হবে। এভাবে নিয়মিত ব্যবহারে চুল স্নিগ্ধ ও মোলায়েম হবে।

শেয়ার করুন




© All rights reserved
Design & Developed BY ThemesBazar.Com