রোহিত শর্মাকে টুইটারে বেনজীর আক্রমণ কঙ্গনা রানাউতের

রোহিত শর্মাকে টুইটারে বেনজীর আক্রমণ কঙ্গনা রানাউতের

কঙ্গনা রানাউত বলিউড ফিল্ম দুনিয়ার এক বহুল আলোচিত সমালোচিত নাম। বছরের সারাটা সময় জুড়েই ফেসবুক টুইটারে নানান ইস্যুতে বেফাঁস মন্তব্য করে আলোচনায় থাকতে পছন্দ করেন এই অভিনেত্রী। কঙ্গনার অবস্থা এখন এমন দাঁড়িয়েছে যে, তিনি এখন আর অভিনয় নয়, ফেসবুক টুইটারে মন্তব্য করাকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। তার কটু কথা থেকে রেহাই হচ্ছে না খানদের মতো অভিনেতা, পরিচালক, সংগীতশিল্পী কারোরই।

এরই ধারাবাহিকতায় এবার ভারতীয় জাতীয় ক্রিকেট দলের ওপেনার ব্যাটসম্যান রোহিত শর্মাও রেহাই পেলো না কঙ্গনার কটুকথা থেকে।

ভারতে চলমান বিতর্কিত কৃষি আইন বিরোধী কৃষক আইন নিয়ে নিজের স্যোশাল একাউন্টে রোহিত শর্মা কৃষকদের পক্ষে দাঁড়ান। রোহিতের এই লেখা পছন্দ হয়নি কঙ্গনার। রোহিত শর্মার লেখার পরপরই কঙ্গনা রানাউত নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে রোহিতকে ‘কুকুর’ বলে গালি দেন। এই গালি টুইটারের নীতিমালা বিরোধী হবার কারণে টুইটার কঙ্গনার সেই পোস্ট মুছে দিয়েছে। তবে মোছার আগেই কঙ্গনার পোস্টের স্কৃণশট ভাইরাল হয়ে গেছে।

 

ভারতীয় ক্রিকেটের তারকা খেলোয়ার রোহিত শর্মা কৃষক আন্দোলনের সমাধান চেয়ে কৃষকদের পক্ষে দাঁড়িয়ে নিজের স্যোশালগুলোতে লিখেছিলেন- ‘ভারতকে ভালো রাখার ক্ষেত্রে কৃষকদের গুরুত্বপূর্ণ। তাদেরকে এভাবে আলাদা রেখে কৃষি আইন করলে তা ভারতের জন্য খুব একটা ভালো ফল বয়ে আনবে না। আমরা সবাই মিলেই ভারত। আমরা যখনই একজোট হয়েছি তখনই ভারত একতাবদ্ধ হয়ে শক্তিশালী হয়েছে। আসুন মিলে কৃষক আন্দোলনের সমাধান করি।

 

রোহিত শর্মার এমন লেখায় তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠে কঙ্গনা রানাউত লেখেন, ‘এইসব ক্রিকেটারদেরকে আমার কাছে নিতান্ত ধোবিঘাটের কুকুরের মতো লাগছে। এদিকেই নেই, ওদিকেও নেই। সরকার কৃষকদের ভালোর জন্য কৃষক আইন পাশ করেছে, কৃষকরা এর বিরুদ্ধে দাঁড়াচ্ছে কেন? তোমরা পারলে সরকারের পাশে থাকো। আন্দোলনকারীরা কৃষক নয়, এরা সব সন্ত্রাসী, গোলমালকারী ধান্দাবাজ লোক। এদের বিরুদ্ধে বলতে ভয় লাগে?’

খবর সূত্র: এবিপি আনন্দ ও হিন্দুস্থান টাইমস

 

মিয়ানমারের সরকার উৎখাত নিয়ে জাতিসঙ্ঘ প্রতিবাদী

মিয়ানমারের সেনাবাহিনী আবারো নির্বাচিত সরকারকে ফেলে দিয়ে ক্ষমতা আরোহন করলো। সারা পৃথিবীতে গত সপ্তাহব্যাপী সব চাইতে চর্চিত খবর হলো জনগণের ভোটে নির্বাচিত অংসাং সুচির সরকার ফেলে দিয়ে সেনাদের ক্ষমতায় বসা নিয়ে। যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ কমবেশি সব দেশই এই ঘটনার প্রতিবাদ করেছে। নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ সহ কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলো।

এরই ধারাবাহিকতায় এবার মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর ক্ষমতা আরোহণ নিয়ে চটেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টিনিও গুটেরেস। তিনি বলেন, মিয়ানমারের সেনা অভ্যুত্থান ঠেকাতে তিনি তাঁর ক্ষমতার সবটুকু ব্যবহার করবেন। মার্কিন প্রভাবশালী দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্টের সাথে আলাপকালে অ্যান্টিনিও গুটেরেস আরো বলেন, মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর ক্যু নিয়ে বিশ্ববাসীর ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ জানানো জরুরী।

 

ধারণা করা হচ্ছে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমারকে নিয়ে জোরালে কোনো প্রস্তাব পাশ করানো সম্ভব হবে না। চীন রাশিয়া ভারতের ভেটোর কারণে জাতিসংঘ মিয়ানমার নিয়ে কঠোর কোনো পদক্ষেপ নিতে পারবে না। এর আগেও মিয়ানমার সেনা তথা সরকার কর্তৃক রোহিঙ্গা গণহত্যা চালানোকালেও চীন রাশিয়া ভারতের ভেটোর কারণে জাতিসংঘ কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *