গুগল সম্পর্কে জানা অজানা তথ্য

আরব্য রজনীর উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ভারতীয় টিভি সিরিয়াল আলিফ লায়লাতে এক বহুল জনপ্রিয় চরিত্র ছিলো আলাদিনের চেরাগের দৈত্য। প্রদীপের সেই দৈত্যের কাছে তার প্রভু আলাদিন যা চাইতো মুহূর্তেই দৈত্য তা নিয়ে হাজির হতো। বিজ্ঞানপ্রযুক্তির যুগের আশির্বাদ হিসেবে আবিষ্কৃত গুগল (Google) কে আদর করে অনেকে আলিফ লায়লার সেই চেরাগের দৈত্যের সাথে তুলনা করে থাকে। কেননা এই তুলনার পেছনে যথার্থতাও রয়েছে। সারা দুনিয়ার কোটি কোটি মানুষ প্রতি মুহূর্তের কাজে ব্যবহার করে থাকেন সার্চ ইঞ্জিন গুগল। বর্তমানে গুগল ইন্টারনেট কার্যক্রমের এক অপরিহারযোগ্য অংশ হয়ে উঠেছে। এই গ্রহের কোটি কোটি মানুষ গুগলের কাছে এমন ভাবে ঝুঁকে পড়েছে যে, গুগল ছাড়া যেনো অন্ধকার। ১৯৯৭ সালে গুগল প্রতিষ্ঠার পর থেকে পেরিয়ে গেছে অনেকগুলো বছর। এই সময় এসে এটি শুধু একটি সার্চ ইঞ্জিনই নয়, এক বিশাল তথ্যপ্রযুক্তি কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে।

এই প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে আমরা আজ কিছু জানা অজানা তথ্য আপনাদের জন্য তুলে আনছি। এসব তথ্য হয়তো আপনি আগেই ‘গুগল করে’ জেনে বসে আছেন।

১. গুগুল হলো বিশ্বের সবচাইতে বেশি ভিজিট করা ওয়েবসাইট। ইন্টারনেট ইউজাররা এই ওয়েবসাইটটি অন্তত একবার হলেও ভিজিট করেছেন।

২. গুগল শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে ‘গুগোল’ (googol) থেকে । যা বিশেষ সংখ্যার নাম। সংখ্যাটি হলো : ১ এর পিঠে ১০০টি শূন্য বসালে যা হয় – তাই। প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি আর সের্গেই কেন এই নাম বেছে নিয়েছিলেন তার জবাবে তারা বলেন, তাদের ওয়েবসাইট যে বিপুল পরিমাণ তথ্য উপাত্ত ঘাঁটাঘাঁটি অনুসন্ধান করবে – সেটাই তারা এই নাম দিয়ে বোঝাতে চেয়ে এই নাম পছন্দ করেন।

৪. প্রথম গুগল ডুডল তৈরি করা হয় ১৯৯৮ সালে, বার্নিং ম্যান নামের একটি উৎসব উদযাপনের জন্য। গুগলের প্রতিষ্ঠাতারা এর মাধ্যমে জানিয়ে দেন যে কেন তারা ঐদিন অফিসে অনুপস্থিত।

৫. গুগলের উল্লেখযোগ্য স্মরণীয় ডুডলগুলোর অন্যতম হলো চাঁদে পানি আবিষ্কার এবং জন লেননের ৭০তম জন্মদিন নিয়ে করা ডুডল। জন লেননের ডুডলটি ছিল প্রথম ভিডিও ডুডল।

৬. গুগলের প্রধান কার্যালয় সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে পরিচিত ‘গুগলপ্লেক্স’ নামে । ‘গুগলপ্লেক্স’ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সিলিকন ভ্যালিতে অবস্থিত।

৭. গুগলপ্লেক্সে একটি ডাইনোসরের বিশাল মূর্তি। গুজব শুনা যায়, ডাইনোসরের মূর্তি হলো কর্মীদের প্রতি এক ধরনের সতর্কবাণী যেন তারা কখনো গুগল (Google) কে বিলুপ্ত হয়ে যেতে না দেন।

আরব্য রজনীর উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ভারতীয় টিভি সিরিয়াল আলিফ লায়লাতে এক বহুল জনপ্রিয় চরিত্র ছিলো আলাদিনের চেরাগের দৈত্য। প্রদীপের সেই দৈত্যের কাছে তার প্রভু আলাদিন যা চাইতো মুহূর্তেই দৈত্য তা নিয়ে হাজির হতো। বিজ্ঞানপ্রযুক্তির যুগের আশির্বাদ হিসেবে আবিষ্কৃত গুগল (Google) কে আদর করে অনেকে আলিফ লায়লার সেই চেরাগের দৈত্যের সাথে তুলনা করে থাকে। কেননা এই তুলনার পেছনে যথার্থতাও রয়েছে। সারা দুনিয়ার কোটি কোটি মানুষ প্রতি মুহূর্তের কাজে ব্যবহার করে থাকেন সার্চ ইঞ্জিন গুগল। বর্তমানে গুগল ইন্টারনেট কার্যক্রমের এক অপরিহারযোগ্য অংশ হয়ে উঠেছে। এই গ্রহের কোটি কোটি মানুষ গুগলের কাছে এমন ভাবে ঝুঁকে পড়েছে যে, গুগল ছাড়া যেনো অন্ধকার। ১৯৯৭ সালে গুগল প্রতিষ্ঠার পর থেকে পেরিয়ে গেছে অনেকগুলো বছর। এই সময় এসে এটি শুধু একটি সার্চ ইঞ্জিনই নয়, এক বিশাল তথ্যপ্রযুক্তি কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে আমরা আজ কিছু জানা অজানা তথ্য আপনাদের জন্য তুলে আনছি। এসব তথ্য হয়তো আপনি আগেই ‘গুগল করে’ জেনে বসে আছেন। ১. গুগুল হলো বিশ্বের সবচাইতে বেশি ভিজিট করা ওয়েবসাইট। ইন্টারনেট ইউজাররা এই ওয়েবসাইটটি অন্তত একবার হলেও ভিজিট করেছেন। ২. গুগল শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে 'গুগোল' (googol) থেকে । যা বিশেষ সংখ্যার নাম। সংখ্যাটি হলো : ১ এর পিঠে ১০০টি শূন্য বসালে যা হয় - তাই। প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি আর সের্গেই কেন এই নাম বেছে নিয়েছিলেন তার জবাবে তারা বলেন, তাদের ওয়েবসাইট যে বিপুল পরিমাণ তথ্য উপাত্ত ঘাঁটাঘাঁটি অনুসন্ধান করবে – সেটাই তারা এই নাম দিয়ে বোঝাতে চেয়ে এই নাম পছন্দ করেন। ৪. প্রথম গুগল ডুডল তৈরি করা হয় ১৯৯৮ সালে, বার্নিং ম্যান নামের একটি উৎসব উদযাপনের জন্য। গুগলের প্রতিষ্ঠাতারা এর মাধ্যমে জানিয়ে দেন যে কেন তারা ঐদিন অফিসে অনুপস্থিত। ৫. গুগলের উল্লেখযোগ্য স্মরণীয় ডুডলগুলোর অন্যতম হলো চাঁদে পানি আবিষ্কার এবং জন লেননের ৭০তম জন্মদিন নিয়ে করা ডুডল। জন লেননের ডুডলটি ছিল প্রথম ভিডিও ডুডল। ৬. গুগলের প্রধান কার্যালয় সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে পরিচিত 'গুগলপ্লেক্স' নামে । ‘গুগলপ্লেক্স’ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সিলিকন ভ্যালিতে অবস্থিত। ৭. গুগলপ্লেক্সে একটি ডাইনোসরের বিশাল মূর্তি। গুজব শুনা যায়, ডাইনোসরের মূর্তি হলো কর্মীদের প্রতি এক ধরনের সতর্কবাণী যেন তারা কখনো গুগল (Google) কে বিলুপ্ত হয়ে যেতে না দেন। ৮. গুগলের হেডকোয়ার্টারটি বিশাল এবং এর ভেতরে অনেক সবুজ জায়গা আছে। গুগলপ্লেক্স ক্যাম্পাসের ঘাস কাটার জন্য কখোনোই মেশিন ব্যবহার করেন না তারা। এ জন্য গুগল তাদের প্রতিবেশি বিভিন্ন খামার থেকে ছাগল ভেড়া ভাড়া করে নিয়ে আসে। ৯. গুগল হলো ১ম কোনো বড় আইটি কোম্পানি যারা নিজেদের কর্মীদের মাঝে বিনামূল্যে টিফিন বা ডিউটি টাইমের খাবার পরিবেশন করে থাকে। কর্মীদেরকে তাদের পোষা কুকুরও অফিসে নিয়ে আসতে সুযোগ দেয়া হয়। ১০. ২০০১ সালে ১ম গুগল ইমেজ সার্চ চালু করে।২০০০ সালে গ্র্যামি পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বলিউড অভিনেত্রী জেনিফার লোপেজের পরা সবুজ পোশাক থেকেই গুগল অনুপ্রেরণা পায় ইমেজ সার্চিং চালুর। ১১. গুগল ই-মেইল সেবা জিমেইল চালূ করে ২০০৪ সালের ১ এপ্রিল। এদিনকে এপ্রিল ফুল হিসেবে পালন করার কারণে অনেকে ভেবেছিলো গুগল হয়তো রসিকতা করছে। ১২. 'গুগল করা' অর্থ্যাৎ গুগল নামটিকে ২০০৬ ক্রিয়াপদ হিসেবে প্রথম ব্যবহার ও অভিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অভিধানে লেখা হয়, গুগল করা মানে হচ্ছে ওয়েব থেকে কোনো তথ্য অনুসন্ধান করার জন্য গুগল (Google) সার্চ ইঞ্জিনের ব্যবহার। ১৩. ২০০৬ সালে বিশ্বের সর্বাধিক জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং সাইট ইউটিউব গুগল পরিবারের সদস্য হয়। দেড়শ' কোটি ডলারেরও বেশি মূল্যে ইউটিউব ক্রয় করে নেয় গুগল। বর্তমানে ইউটিউবের মাসিকেইউজার প্রায় ২০০ কোটি। গড়ে মিনিটে ইউটিউবে আপলোড হয় ৪০০ ঘন্টারও বেশি ভিডিও। ১৪. গুগলের একজন আইটি প্রকৌশলীর হাতে ২০০৯ সালে একবার ইন্টারনেট ব্যবস্থা  ক্রাশ হয় । সেই প্রকৌশলী দুর্ঘটনাবশত: গুগলের ব্লক করা ওয়েবসাইটের রেজিস্ট্রিতে ফরোয়ার্ড স্ল্যাশ ('/') চিহ্নটি যোগ করে ফেলেছিলেন। যেহেতু প্রায় সব ওয়েবসাইটেই '/' চিহ্নটি ব্যবহার করে, তাই সেসময় কোনো ওয়েবসাইটেই প্রবেশ করা যাচ্ছিল না। ১৫. গুগল সার্চে এমন ১৫ শতাংশ সম্পূর্ণ নতুন বিষয় অনুসন্ধান করা হয় - যা আগে কখনোই গুগলে কেউ সার্চ করেনি। ১৬. ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে গুগল পরিণত হয় ১ম কোম্পানিতে যারা শতভাগ নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার করে। যার মানে তারা প্রতি এক কিলোওয়াট বিদ্যুত শক্তি খরচ করার সাথে সাথে এক কিলোওয়াট বিদ্যুত ক্রয়ও করছে। ১৭. গুগলের জন্মদিন রয়েছে ৬টি। ৬টি জন্মদিনের মাঝে তারা বেছে নিয়েছে যে শুধু ২৭ সেপ্টেম্বরকেই গুগলের জন্মদিন হিসেবে পালন করা হবে। ১৮. গুগলের হাতে নানা রকম মজার মজার কূটকৌশলও রয়েছে। যেমন আপনি যদি এস্কিউ (askew) শব্দটি ইংরেজিতে লিখে সার্চ করেন তাহলে দেখতে পাবেন পুরো পেজটাই একদিকে কাত হয়ে পড়েছে। ১৯. নভোযান এ্যাপোলো ১১তে চড়ে চাঁদে মানুষকে পাঠাতে যতটুকু কম্পিউটিং ক্ষমতা ব্যবহার করা হয়েছিল - এখন প্রতিটি গুগল সার্চে প্রায় সেই পরিমাণ কম্পিউটিং ক্ষমতা ব্যবহার করা হয়। ২০. গুগল এখন আর শুধুমাত্র একটি সার্চ ইঞ্জিন নয়। ভবিষ্যতে গুগলে যুক্ত হবে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স, লাইভ স্ট্রিমিং-ভিত্তিক গেমিং ব্যবস্থা, এমনকি ড্রাইভারবিহীন গাড়ির কথা গুগলের পরিকল্পনার রয়েছে।
গুগলের হেডকোযার্টার: গুগলপ্লেক্স, ছবি: ইন্টারনেট

৮. গুগলের হেডকোয়ার্টারটি বিশাল এবং এর ভেতরে অনেক সবুজ জায়গা আছে। গুগলপ্লেক্স ক্যাম্পাসের ঘাস কাটার জন্য কখোনোই মেশিন ব্যবহার করেন না তারা। এ জন্য গুগল তাদের প্রতিবেশি বিভিন্ন খামার থেকে ছাগল ভেড়া ভাড়া করে নিয়ে আসে।

৯. গুগল হলো ১ম কোনো বড় আইটি কোম্পানি যারা নিজেদের কর্মীদের মাঝে বিনামূল্যে টিফিন বা ডিউটি টাইমের খাবার পরিবেশন করে থাকে। কর্মীদেরকে তাদের পোষা কুকুরও অফিসে নিয়ে আসতে সুযোগ দেয়া হয়।

১০. ২০০১ সালে ১ম গুগল ইমেজ সার্চ চালু করে।২০০০ সালে গ্র্যামি পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বলিউড অভিনেত্রী জেনিফার লোপেজের পরা সবুজ পোশাক থেকেই গুগল অনুপ্রেরণা পায় ইমেজ সার্চিং চালুর।

১১. গুগল ই-মেইল সেবা জিমেইল চালূ করে ২০০৪ সালের ১ এপ্রিল। এদিনকে এপ্রিল ফুল হিসেবে পালন করার কারণে অনেকে ভেবেছিলো গুগল হয়তো রসিকতা করছে।

১২. ‘গুগল করা’ অর্থ্যাৎ গুগল নামটিকে ২০০৬ ক্রিয়াপদ হিসেবে প্রথম ব্যবহার ও অভিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অভিধানে লেখা হয়, গুগল করা মানে হচ্ছে ওয়েব থেকে কোনো তথ্য অনুসন্ধান করার জন্য গুগল (Google) সার্চ ইঞ্জিনের ব্যবহার।

১৩. ২০০৬ সালে বিশ্বের সর্বাধিক জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং সাইট ইউটিউব গুগল পরিবারের সদস্য হয়। দেড়শ’ কোটি ডলারেরও বেশি মূল্যে ইউটিউব ক্রয় করে নেয় গুগল। বর্তমানে ইউটিউবের মাসিকেইউজার প্রায় ২০০ কোটি। গড়ে মিনিটে ইউটিউবে আপলোড হয় ৪০০ ঘন্টারও বেশি ভিডিও।

১৪. গুগলের একজন আইটি প্রকৌশলীর হাতে ২০০৯ সালে একবার ইন্টারনেট ব্যবস্থা  ক্রাশ হয় । সেই প্রকৌশলী দুর্ঘটনাবশত: গুগলের ব্লক করা ওয়েবসাইটের রেজিস্ট্রিতে ফরোয়ার্ড স্ল্যাশ (‘/’) চিহ্নটি যোগ করে ফেলেছিলেন। যেহেতু প্রায় সব ওয়েবসাইটেই ‘/’ চিহ্নটি ব্যবহার করে, তাই সেসময় কোনো ওয়েবসাইটেই প্রবেশ করা যাচ্ছিল না।

১৫. গুগল সার্চে এমন ১৫ শতাংশ সম্পূর্ণ নতুন বিষয় অনুসন্ধান করা হয় – যা আগে কখনোই গুগলে কেউ সার্চ করেনি।

১৬. ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে গুগল পরিণত হয় ১ম কোম্পানিতে যারা শতভাগ নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার করে। যার মানে তারা প্রতি এক কিলোওয়াট বিদ্যুত শক্তি খরচ করার সাথে সাথে এক কিলোওয়াট বিদ্যুত ক্রয়ও করছে।

১৭. গুগলের জন্মদিন রয়েছে ৬টি। ৬টি জন্মদিনের মাঝে তারা বেছে নিয়েছে যে শুধু ২৭ সেপ্টেম্বরকেই গুগলের জন্মদিন হিসেবে পালন করা হবে।

১৮. গুগলের হাতে নানা রকম মজার মজার কূটকৌশলও রয়েছে। যেমন আপনি যদি এস্কিউ (askew) শব্দটি ইংরেজিতে লিখে সার্চ করেন তাহলে দেখতে পাবেন পুরো পেজটাই একদিকে কাত হয়ে পড়েছে।

১৯. নভোযান এ্যাপোলো ১১তে চড়ে চাঁদে মানুষকে পাঠাতে যতটুকু কম্পিউটিং ক্ষমতা ব্যবহার করা হয়েছিল – এখন প্রতিটি গুগল সার্চে প্রায় সেই পরিমাণ কম্পিউটিং ক্ষমতা ব্যবহার করা হয়।

২০. গুগল এখন আর শুধুমাত্র একটি সার্চ ইঞ্জিন নয়। ভবিষ্যতে গুগলে যুক্ত হবে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স, লাইভ স্ট্রিমিং-ভিত্তিক গেমিং ব্যবস্থা, এমনকি ড্রাইভারবিহীন গাড়ির কথা গুগলের পরিকল্পনার রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!